“মা”র অস্তিত্বটা বুঝতে পেরেছি যখন

0
41

 যখন আমি খুব ছোট আমার “মা” তখন চাকুরি করতেন। সারাদিন “মা” কে খুব একটা কাছে পাওয়া হতো না। বাবা কে সবচেয়ে বেশি কাছে পেতাম। এক কথায় আমার সুখ- দুঃখের সাথী ছিল বাবা। তাই মা এর অস্তিত্বটা একটা অনুভব করতাম না। আমার জীবনে যে, “মা” নামক একটা অমূল্য সম্পদ আছে বুঝতেই পারিনি।তাই কারণে- অকারণে, বুঝে না বুঝে মা কে কষ্ট দিয়েছি।তবুও “মা” কখনো অভিমান করে থাকেনি বরং একবেলা না খেয়ে থাকলে খাবার নিয়ে এসে মুখে তুলে দিয়ে বলে “বাবা” রাগ করে না খেয়ে নাও। তুমি না খেলে আমিও খাবো না-কিন্তু “মা” এর প্রতি অভিমান ভাঙ্গতে আর “মা” এর অস্তিত্বটা বুঝতে খুব বেশি দিন সময় লাগলো না আমার। বছর খানেক আগে ২০১৫ইং “মা” অনেক অসুস্থ হয়ে পড়লেন তাকে হাঁসপাতালে নেয়া হয় অপারেশন এর জন্য। “মা” কে অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার পর মনে হচ্ছিলো কেউ যেন আমার হার্ট টাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। সে যে কি যন্ত্রণা বলে বোঝানো সম্ভব না আমার দ্বারা। খুবই অসহায় লাগছিলো নিজেকে।বাবার কোন কথাই কানে যাচ্ছিলো না। মনে হচ্ছিলো আমি এই পৃথিবীতে নেই। আজ আবার সেই দিনটা আমার সামনে উপস্থিত। আমার “মা” আবারও অসুস্থ , আবারও ২ টা জটিল অপারেশন করাতে হবে এই “মে” মাসের মধ্যেই। প্রিয় পাঠক আপনারা দয়া করে আমার “মা” এর জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি যেন আমার “মা” কে সুস্থ করে ঘরে ফিরিয়ে আনতে পারি। সারাজীবন যেন মা এর স্নেহের শীতল ছায়ায় থাকতে পারি। আর প্রাণ খুলে বলতে পারি, ভালোবাসি “মা”, তোমায় অনেক ভালোবাসি, পুরোটা পৃথিবীর থেকেও বেশি। আজ এই মহান “মা” দিবসে সব মহীয়সী “মায়েদের” জন্য রইল আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সৃষ্টিকর্তা যেন সবার “মা”- কে সুস্থ রাখেন। 

লেখক- মামুন ইসলাম চাঁদ (ধানমন্ডি ,ঢাকা)