মাহে রমজান ও বাত-ব্যথা

0
30

ডা. মোহাম্মদ আলী :
রহমতের মাস রমজান, এই মাসে রোজা রাখার পাশাপাশি সালাতুত তারাবিহ এর নামাজ রোজাদারগনের জন্য সওয়াব হাসিলের একটি অন্যতম উপলক্ষ্য। কিন্তু অনেক বাত-ব্যথা রোগী বিশেষ করে যারা হাটু বা কোমর ব্যথায় আক্রান্ত তারা এসময় বেশ অসুবিধায় পড়ে যান। তাই তাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। যারা দাঁড়িয়ে নামায পড়লে সমস্যা বোধ করেন তারা বসেই নামায পড়ুন। ব্যথা তীব্র হলে একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মত ফিজিওথেরাপি নেবেন। রমজান মাসে ব্যথার ঔষধ সেবনে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন। কারণ সারাদিন রোজা রাখায় ব্যথার ঔষধ পাকস্থলির প্রদাহ সৃস্টি করতে পারে অথবা শরীর দূর্বল করে দিতে পারে। সেহেরির পূর্বে আর ইফতারির দুই ঘন্টা আগে ব্যায়াম করুন। কোমড়ে বেল্ট পড়ে বা হা্টুর ক্যাপ পড়ে নামাজ পড়বেন না, এতে অস্বস্থি আরও বাড়বে। যাদের ওজন বেশী তাদের জন্য রমজান ওজন কমানোর একটি বিরাট নেয়ামত । পরিমিত খাবার গ্রহণ করে এই একমাসে ওজটা কমিয়ে নিতে পারেন। তবে যারা ব্যথা থাকা সত্বেও স্বাভাবিক নিয়মে নামাজ আদায় করলে অসুবিধা বোধ করেন না তারা স্বাভাবিক নিয়মেই নামাজ আদায় করুন। নিয়মিত ফিজিওথেরাপি ব্যথা নিয়ন্ত্রন করে আপনার স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে । তাই এই সময় একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন । খোশ আমদেদ মাহে রমজান ।

লেখক-
চীফ কনসালট্যান্ট, হাসনা হেনা পেইন এন্ড ফিজিওথেরাপি রিসার্চ সেন্টার (এইচ পি আর সি)