আলাদা মেডিকেল ইউনিট হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে

180

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুলিশ বিভাগের জন্য আলাদা মেডিকেল ইউনিট গঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

রোববার (৩ নভেম্বর) সচিবালয় গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কারাগারে হাসপাতাল আছে, কিন্তু ডাক্তার নেই। ডাক্তারের সঙ্কট যাতে না হয় সেজন্য আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি মেডিকেল ইউনিট গঠন করা হচ্ছে, যেটা পুলিশের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। এখানে কর্মরত চিকিৎসকরা অন্য ডাক্তারদের মতোই পদোন্নতি, বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। নতুন একটা নীতিমালা তৈরি করেছি, এর আওতায় ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কারাগার, ফায়ার সার্ভিস ও বিজিবির হাসপাতালগুলোতে এখান থেকে ডাক্তাররা যাবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডাক্তাররা যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও পদোন্নতিসহ অন্য সুবিধা পায় সেভাবে এ ডাক্তারাও পাবেন।’

২০০৮ সালে কারাগারে ২৮ হাজার ৩২ জনের ধারণ ক্ষমতা ছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখন তা ৩৬ হাজার ৬১৪ জনের। কারাগারে নাস্তা এবং খাদ্য তালিকার মেনু বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বন্দিদের তাদের স্বজনদের সাথে টেলিফোনে কথা বলার সুযোগ দিতে ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

মাদকের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের যুবক এবং ছাত্ররাসহ অনেকেই মাদকাসক্ত হচ্ছে। হিরোইনের পর ইয়াবা, এটা এতোই ভয়ঙ্কর যারা সেবন করছে তারা নিজেকে নিজেই শেষ করছে। আমরা জাতি সম্পদ হারাচ্ছে। আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিচ্ছি মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য।

‘সরকারি চাকরিতে ঢোকার সময় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছে, এটা ইমপ্লিমেন্টও ধীরে ধীরে হচ্ছে। ডোপ টেস্টের মাধ্যমে সবাইকে টেস্ট করা হবে, যারা প্রথম সরকারি চাকরিতে যাবেন। মাদক যারা ব্যবহার করেন এ ডোপ টেস্টে ধরা পড়লে তারা চাকরি পাবেন না।’

ডোপ টেস্ট কবে থেকে কার্যকর হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যতগুলো বিভাগ আছে সবগুলোয় চালু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যে অভিপ্রায় সেটা আমরা সিভিল সার্জনকে জানিয়ে দিয়েছি। এটা আরও যাতে সবখানে হয় আমরা সেটা দেখবো।