একটি হাই ভোলটেজ নির্বাচন ও অসংখ্য অসংগতি

0
76

আজ বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন এর ৬ষ্ঠ কার্যকরী পরিষদের নবনির্বাচিত  কমিটির  দায়িত্ব হস্থান্তর করা হবে।
বিগত কমিটির মেয়াদ চলতি বছরের ২৮ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকলেও ,  রোজা এবং ঈদের আগে তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে তারা জানিয়েছিল প্রেসিডেন্টের দেশ ত্যাগের কারনে দ্রুত এই আয়োজন। নির্বাচনটি অসংখ্য ফিজিও উৎসবমূখর পরিবেশে অংশগ্রহণ করলেও, নির্বাচনের পরের দিনথেকেই নির্বাচনী বিভিন্ন অসংগতি প্রকাশ পেতে থাকে।  এরই মধ্যো নির্বাচনকালীন নির্বাচন কমিশনার ও বিপিএ এর লিগ্যাল এডভাইজার ব্যারিস্টার এস এম আরেফিন জুন্নুন পদত্যাগের ঘোষনা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন নির্বাচন কালীন সময়ে পদাধিকার বলে প্রার্থীর অশভোনীয় আচরনে ফলে প্রার্থীতা প্রত্যাহারে এখতিয়ার তিনি রাখেন, তদ্রুপ এই নির্বাচনে বিপিএ এর সাবেক সভাপতি ডাঃ রাজিব হাসান নামের এক্সিকিউটিভ মেম্বার প্রার্থীর নির্বাচন আচরন বিধি ভঙ্গের দায়ে ২বার নোটিশ দিয়ে সতর্ক করার পরেও তিনি আচরন বিধি ও অশোভনীয় আচরনের জন্য তার সদস্য পদের প্রার্থীতা বাতিল করেন,এবং তা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।  কিন্তু বিপিএ এর বর্তমান কমিটির প্রেস সেক্রেটারি ডাঃ কাজী এমরান বিপিএর অফিসিয়াল  প্যাডে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অমান্য করে এবং নির্বাচন কমিশন কতৃক স্বাক্ষরিত  নির্বাচিত সদস্যের নামিয় তালিকা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা সাধারণ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক দের মধ্যো , এবং নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ করে । সেজন্য তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন, তিনি জানান উনি উনার দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালনে বাধাপ্রাপ্ত হয়েও একটি নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। প্রতিটি নির্বাচনেই কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে, সেটা তিনি সর্বোচ্য দিয়ে চেষ্টা করেছেন প্রতিহত করার। এতোকিছুর পরেও উনার সম্পর্কে একটি মহলের বিভিন্ন হুমকি আসে, ডাঃ রাজিব হাসানের সদস্যপদ বহাল রাখার জন্য। তিনি বলেন প্রয়োজনে থাকবো না বিপিএ তে, কিন্তু অন্যায় কে প্রশ্রয় দিবোনা। বিগত দিনে বিপিএ সাফল্যে আমার কিছুটা হলেও অবদান রয়েছে। তিনি আরো বলেন বিপিএ থেকে এত কিছুর পরও বলেছে এর একটি শুষ্ঠ সমাধান করবেন, কিন্তু সেই সময় যেন অনন্তকাল না হয় তিনি সেই আশা ব্যক্ত করেন।  তা না হলে অল্পকিছুদিন অপেক্ষা করার পর আইনের আশ্রয় নিবেন। তবে আজ যে সম্পুর্ন অনির্বাচিতদের চূরান্ত তালিকা নির্বাচন কমিশন থেকে দেয়া হয়েছে সেখানে ডা: রাজীব হাসানের নাম নেই,  এবং নিচে নোট হিসেবে তার প্রার্থিতা বাতিল দেখান হয়েছে।
এদিকে বিপিএ এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্রুপটির এডমিনদের নিরাপেক্ষতা নিয়ে সকল ফিজিও প্রশ্ন তুলছে।  অন্য দিকে কিছু প্রার্থী ভোটার লিস্টের অসংগতি তুলে ধরছেন । সর্বশেষ বলাযায় একটি নির্বাচন শেষ হলেও আইন উপদেষ্টা ও নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ, সাধারন ভোটার ও কিছু প্রার্থীদের অসন্তোষ, একটি গ্রুপের তাদের নিজেস্য চাওয়া- পাওয়ায় শক্ত অবস্থান পররর্তী দিনে সংগঠনটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে নাকি আস্তকুরে পতিত করবে তা সময়ই বলবে।