ওজন কমানোর কৌশল



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

বাড়তি ওজনে অস্বস্তিই শুধু নয় শারীরিকভাবে নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে যেকোনও ব্যক্তির জন্য। অতি অল্প ওজন যেমন খারাপ বেশি ওজনও তেমনি খারাপ। ওজন কমানোর জন্য শারীরিক পরিশ্রম দরকার, তবে তা করতে চাননা অধিকাংশই।

অনেকে শুধু পরিকল্পনাই করেন, ওজন কমানোর জন্য কার্যকরী কিছু আর করা হয়ে ওঠেনা। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে ওজন কমিয়ে ফেলার সহজ কয়েকটি কৌশল।

১. ওজন কমানোর জন্য সকালের নাস্তাটা সময়মতো সেরে নেওয়াটা খুবই কার্যকরী। অনেকেই হয়তো সকালে না খেয়েই কাজে বেরিয়ে পড়েন, এটি মোটেও ঠিক নয়। ঘুম থেকে ওঠার ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই সকালের নাস্তাটা সেরে নেওয়া উচিত। এতে একদিকে যেমন শরীর থাককে টাটকা অন্যদিকে ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

২. ক্ষুধা লাগলেই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলতে হবে এমনটা কখনও হওয়া উচিত না। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবার খেতে হবে মেপে মেপে। অনেকেরই টেলিভিশন দেখতে দেখতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে; এটি ঠিক নয়। একই ধরনের কাজের মধ্য দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে খুব সহজেই। খাবার খাওয়ার সময় মনে রাখতে হবে; খেতে হবে পরিমাণ মতো, তবে কোনওভাবেই বেশি নয়।

৩. শরীরটা একটা যন্ত্রের মতো। বেশি খাবারে বিপত্তি ঘটতে পারে যেকোনও সময়ই। খাবারের পর শরীরে সেটি সুষ্ঠুভাবে প্রক্রিয়াজাত হতে সময় লাগে। তাই ধীরে-সুস্থে অল্প পরিমাণে খেতে হবে। একজন সুস্থ মানুষ সব মিলিয়ে অল্প অল্প করে ছয়বার খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন।

৪. দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া আর দেরিতে ঘুম থেকে ওঠার সাথেও ওজন বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে। ওজন কমাতে হলে সর্বোচ্চ ৮টার আগেই রাতের খাবার সম্পন্ন করতে হবে। তারাতারি রাতের খাবার খাওয়ার পর এককাপ গ্রিনটি পানের অভ্যাস কমিয়ে দিতে পারে বাড়তি ওজন।

৫. বাড়তি ওজন কমানো নিয়ে দুশ্চিন্তা যারা করছেন; তাদের জন্য ফল খাওয়ার অভ্যাসটা সহজেই কাজে আসবে। দুপুরে কিংবা রাতে ভারী খাবারের আগে ফল খাওয়ার কারণে ওজন কমতে পারে সহজে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারী খাবারের আগে ফল খেলে ওজন কমবে।

No Comments to “ওজন কমানোর কৌশল”

Comments are closed.