ক্যারিয়ার এগিয়ে নিয়ে যাবে যেসব অভ্যাস

12

নেকেই আছেন যারা কর্মক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত বিষয় শেয়ার করেন, অন্যের দোষ সবার কাছে বলে বেড়ান কিংবা খোশগল্পে মেতে থাকেন। অনধিকার চর্চা করতে কেউ কেউ বেশ পছন্দ করেন। এসব বদাভ্যাসের কারণে কেউ কেউ পদোন্নতি, বদলির সমস্যায় পড়েন। কারো আবার চাকরি পর্যন্ত চলে যায়। আপনি সচেতন হলে সহজেই এসব বদাভ্যাস থেকে দূরে থাকতে পারেন। 

সময়নিষ্ঠা

কর্মক্ষেত্রে প্রতিটি কর্মীর জন্য সময়জ্ঞান থাকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মিটিংয়ে যদি দেরি করে যান তাহলে কাজের ক্ষেত্রে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হবে। যা কখনো কখনো আপনার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মিটিংয়ের পূর্ব-নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে পৌঁছে যান। প্রয়োজন হলে মোবাইল কিংবা ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখুন।  মিটিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময় সহকর্মীদের সাথে অযথা কোন কথা বলবেন না। ভদ্রতা বজায় রাখবেন।

পরিকল্পনা করুন

প্রতিদিন অফিসে পৌঁছে কাজের সঠিক পরিকল্পনা করে ফেলুন। এতে কাজের গাতি বাড়বে। সঠিক পরিকল্পনা না করলে আপনি আপনার দক্ষতা প্রমাণ করতে পারবেন না। 

দীর্ঘ সময় নিয়ে খাবেন না

অফিসে দীর্ঘ সময় নিয়ে দুপুরের খাবার খাবেন না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাবার শেষ করবেন। চায়ের বিরতির সময় সহকর্মীদের সাথে অযথা আড্ডা দিবেন না। অযথা সময় নষ্ট করলে বস এবং অন্যান্য সহকর্মীদের আপনার সম্পর্কে বাজে ধারণা তৈরি হতে পারে।   

সঠিক সময়ে ই-মেইল করুন

কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগের জন্য ই-মেইল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ই-মেইলে যোগাযোগ করতে দক্ষ না হোন তাহলে ক্যারিয়ারে পিছিয়ে পড়বেন। অফিসিয়াল কোন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল কিংবা কোন জবাব চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দিন। প্রয়োজনে কম্পিউটারের ডেস্কটপে নোটিফিকেশন ব্যবস্থা করে রাখুন যাতে গুরুত্বপূর্ণ ইমেলে সঠিক সময়ে পাঠাতে পারেন। 

প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন

প্রস্তুতির কারণে কর্মক্ষেত্রে অনেকদূর এগিয়ে যাওয়া যায়। মিটিংয়ে আপনি প্রস্তুতি না নিয়ে গেলে সঠিক জবাব দিতে পারবেন না। এতে ম্যানেজম্যান্ট লেভেলে আপনার সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরি হবে। পরের দিনের কাজের বিষয় নিয়ে আগের দিন প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন। এতে আপনি আপনার সহকর্মীদের থেকে অনেক এগিয়ে থাকবেন।

ক্যারিয়ারে উন্নতি করতে এসব অভ্যাস আপনাকে আয়ত্ব করতেই হবে।