ক্রিকেট ফিটনেস



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

ক্রিকেট খেলায় তিনটে বিভাগ জড়িত যথা ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং তার জন্য শারীরবৃত্তীয়ভাবে প্রত্যেক অঙ্গকে মজবুত এবং সবল করে তুলতে হবে। এর সঙ্গে দরকার ক্ষিপ্রতা, শারীরিক নমনীয়তা এবং মানসিক একাগ্রতা। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিঙের নির্দিষ্ট প্রয়োজন অনুযায়ী এক একটি বিভাগের জন্য এক এক ধরণের ফিটনেস দরকার লাগে। অনেক ধরণের ব্যায়াম এর জন্য প্রয়োজন। তাঁর মধ্যে কয়েকটি সাধারণ ব্যায়ামের কথা নীচে দেওয়া হল:

100_1489.JPG

১।মেরুদন্ডের নমনীয়তার জন্য – পা জড়ো করে মাটিতে ছড়িয়ে বসুন এবং কোমর থেকে পায়ের নীচের অংশ একটুও না নড়িয়ে, মেরুদন্ড বাঁকিয়ে, হাত সোজা করে এমন ভাবে সামনে বাড়াও যাতে পায়ের বুড়ো আঙুলের ডগায় কবজি স্পর্শ করে। কনুই ভাঙবে না এবং ঐ অবস্থায় ৩ সেকেন্ড থাকবে।

 

 

 

anindya%201.jpg

২। পায়ের পেশীর জন্য – একটা ৪০ সেমি। (১৬ ইঞ্চি) উঁচু শক্ত বেঞ্চ বা চেয়ার রাখুন এবং মাটিতে দাঁড়িয়ে মিনিটে ৬০ বার ঐ বেঞ্চটাতে উঠে দাঁড়ান এবং নামুন। ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন এবং আবার করুন। মোট চারবার।

 

৩। হাতের পেশীর জন্য – এবার ঐ বেঞ্চটাতে দু পা তুলে দিয়ে ডন দেওয়ার ভঙ্গিতে ওঠানামা করুন।

৪। কোমরের নমনীয়তার জন্য – ক)মাটিতে চিত হয়ে শুন। এবার পা ভেঙে পাছার কাছাকাছি দু পা জড়ো করে রাখুন, আপনার পার্টনার বা জোরিদারকে বলুন পায়ের পাতা শক্ত করে মাটিতে চেপে ধরতে। এবার ওঠাবসা এবং হাঁটুতে মাথা ঠেকানো।

খ)সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে, দু হাত জড় করে যতটা সম্ভব পাশে নামাতে হবে।

100_1506.JPG

৫। উরু ও কুঁচকির জন্য – দু পা সামনে পিছনে ছড়িয়ে দিয়ে দাঁড়ান। এবার সমস্ত ভর সামনের পায়ে নয়ে দু হাত দিয়ে হাঁটুতে চাপ দিন।

 

৬। জঙ্ঘার পেশীর জন্য – দেওয়ালে দু হাত দিয়ে দাঁড়ান। এবার একটা পা পিছনে অনেকটা ছড়িয়ে দিন এবং হাতে চাপ দিয়ে ছড়ান পায়ের গোড়ালিটাকে মাটিতে ঠেকাবার চেষ্টা করুন।

উপরের বর্ণিত ব্যায়ামগুলি খালি হাতে করা যায়। তাছাড়াও ওজন নিয়ে ব্যায়াম অর্থাৎ মাল্টিজিম দেহের প্রতিটি মাংপেশীকে সুগঠিত ও শক্তির উদ্দেশ্য করা যেতে পারে। এর সাথে যোগ হতে পারে সাঁতার অর্থাৎ swimming সপ্তাহে অন্তত ৩দিন।




Tags:

No Comments to “ক্রিকেট ফিটনেস”

Comments are closed.