চতুরাকাশের বুদ্ধিজীবী (অনুগল্প)



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

ডিজিটাল কবি
রাতে একটি সুন্দর স্বপ্ন দেখেছিলো এক সুখ-সন্ধানী।
সকাল বেলা উঠেই কাউকে না বলে রওয়ানা দিলো স্বপ্নের খোঁজে।
হাটতে হাটতে অনেক দুর এসে গেলো স্বপ্ন-সন্ধানী পথিক। সকালের স্নিগ্ধ বাতাস তার ক্লান্ত হৃদয় জুড়িয়ে দিয়ে গেলো।
ভোরের পাখীরা সাহস দিয়ে যাচ্ছিলো সামনে এগুনোর। ঘাস-ফুলে কয়েকটা প্রজাপতি নেচে নেচে উৎসাহ দিতে থাকলো।
ভালোই এগুচ্ছিলো পথিক, কিন্তু হঠাৎ একটা বিপদ ঘটে গেলো পথিকের।
সামনের একটি খাঁদ ছিল যা নজরে আসেনি স্বপ্নের সন্ধানে বিভোর ছিল পথিকের। হতভাগা পথিক পরে গেলো সেই খাঁদে।
উঠার চেষ্টা করছে পথিক, না পারছে না সে।
এবার মাথার উপরে তাকাচ্ছে সে, কেউ আসছে কিনা এগিয়ে, না কেউ আসছে না।
আবার চেষ্টা করছে পথিক; না এখনো পারছেনা।
হঠাৎ চতুরাকাশ থেকে একশত সচেতন বুদ্ধিজীবীর উদয় হল।
শুরু হল তাদের জ্ঞান বিতরণ,
” পথিক, তোমার অন্য পথ দিয়ে আসা উচিত ছিল, বড় ভুল করেছ তুমি।
পথিক, তুমি বড় বোকা তোমার পাশ দিয়ে যাওয়া উচিত ছিল,
পথিক, তুমি এত বোকা? এই দিনের বেলা খাঁদে পড়লে?
হায়রে পথিক,
তুমি যদি আমার সাথে পরামর্শ করতে তবে এই হাল হতো না। “
হাজার জ্ঞানের বানী পথিককে নীরব করে দিলো কিন্তু দুটা সহৃদয় পেলনা পথিক যে তার যে তার সহায় দুটো হাত বাড়িয়ে তাকে টেনে তুলবে।
আবার চেষ্টা চলছে তার খাঁদ থেকে উঠার আর দর্শকবৃন্দ তা দেখছেন।
একসময় উঠে গেলো পথিক।
খাঁদের পাশেই ছিল রাতে সেই স্বপ্ন যা সূর্যের নতুন আলোয় ঝলমল করছে
সেটা সযত্নে হাতে তুলে নিলো পথিক।
এবার চারদিকে করতালি, মুখরিত হয়ে গেলো চারপাশ।
চারদিকে শুধু জয়ধ্বনি আর বাহবা, “সাবাস পথিক, সাবাস। “

No Comments to “চতুরাকাশের বুদ্ধিজীবী (অনুগল্প)”

Comments are closed.