চোট আঘাতের প্রাথমিক চিকিৎসা ও সতর্কতা

0
12
প্রতিবেদক: সায়ন্তন মজুমদার, ফিজিওথেরাপিস্ট।

চোট আঘাতের প্রাথমিক চিকিৎসা ও সতর্কতা

ছোট থেকে বড়, পুরুষ হোক বা মহিলা, বাড়িতে বা রাস্তায়, স্কুলে বা খেলার মাঠে, আমি আপনি বা কেউই চোট আঘাতের সম্মুখীন হতে পারেন। সাধারণভাবে একে বলে injury বা আহত হওয়া।

যে কোন ধরনের চোটেই যদি সঠিক নেওয়া না হয় তাহলে তা থেকে বাড়াবাড়ি হয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের সবারই জানার দরকার যে চোঠ পেলে ঠিক কি কি করতে হবে যাতে এই injury বেড়ে না যায় এবং তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যায়।

ইংরেজী বর্ণমালার ৪টি অক্ষর ব্যবহার করা হয় প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য।

R – Rest.

I – Ice.

C – Compression.

E – Elevation.

R for Rest – যেকোনো আঘাত পাওয়ার পর সবার আগে যা করা উচিৎ তা হল rest বা বিশ্রাম। দেহের যে অঙ্গে আঘাত লেগেছে তাকে বেশি নাড়াচাড়া করা যাবে না এবং প্রয়োজনে সেই অঙ্গ ব্যবহার করা যাবে না। যেমন হাঁটুতে চোট লাগলে মাটিতে বসা যাবে না। সিঁড়ি ভাঙ্গা যাবে না অর্থাৎ হাঁটু ভাঁজ করা যাবে না।

I for Ice – আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব বরফ লাগাতে হবে। প্রথম ২৪ ঘন্টায় ২ ঘন্টা অন্তর বরফ লাগানো যেতে পারে। চোটের গুরুত্বর উপর নির্ভর করে। তবে অন্তত ৩বার লাগাতে হবে এবং প্রত্যেকবার ১২মিনিট এর বেশি সময় ধরে লাগাতে হবে। বরফ লাগালে ব্যথা এবং ফোলা কম থাকবে এবং internal injury কে আটকানো যায়।

C for Compression – রক্তপাত হলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান চেপে রাখতে হবে এবং bandage করতে হবে। রক্তপাত না হলে প্রয়োজনে crep-bandage ব্যবহার করতে হবে।

E for Elevation – আঘাত প্রাপ্ত অঙ্গ বালিশের সাহায্যে উঁচু করে রাখতে হবে যখন বসে বা শুয়ে থাকছেন।

তবে আঘাত গুরুতর হলে এবং ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোনো উন্নতি না হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

যে কোন ধরনের চোট আঘাতের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে এই সাধারণ পদ্ধতি বা protocol মেনে চলা করা হয়।