ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি

0
71
Print

ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাত ও পায়ের শেষ ভাগের স্নায়ুগুলোর আস্তে আস্তে কার্যক্ষমতা কমে আসে  যারা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ভুগে থাকে। যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির হাত ও পায়ের শেষভাগে অনুভূতি কমে যেতে থাকে, যা রোগীর জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন— আমাদের অনেকের পায়ের অনুভূতি এত

কমে যায় যে, পা কেটে রক্ত বের হচ্ছে কিন্তু বলতে পারেন না।

লক্ষণসমূহ : ১. হাত-পা ঝিনঝিন করা, ২. হাত-পায়ের শক্তি কমে যাওয়া, ৩. হাত ও পায়ের মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া, ৪. হাত ও পায়ের তালুতে জ্বালাপোড়া অনুভব করা ইত্যাদি। চিকিৎসার প্রথমে প্রয়োজন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা, দ্বিতীয়ত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে হাত ও  পায়ের মাংসপেশির কার্যক্ষমতা ঠিক ও ব্যায়াম করা।

ব্যায়ামের উপকার: ব্যায়ামে শক্তি খরচ হয়, ফলে শরীরের ওজন কম থাকে ও শরীরে চর্বি কমে। * ব্যায়ামের মাধ্যমে পেঙ্কিয়াসের বেটা সেল থেকে ইনসুলিন তৈরি বৃদ্ধি পায়।

* ব্যায়াম ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, ফলে শরীরে অল্প যা ইনসুলিন তৈরি হয় তাতেই  রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে। বাড়তি ওষুধের দরকার না-ও পড়তে পারে। * ব্যায়ামের ফলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। * ডায়াবেটিসের জটিলতা কমানো সম্ভব হয়। * ব্যায়াম রক্তের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায়। * ব্যায়াম উচ্চ রক্তচাপ কমায়। * ব্যায়াম দুশ্চিন্তা দূর করে মনকে প্রফুল্ল রাখে। এছাড়া হাড় ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে। তাই এ বিষয়ে যত্নবান হতে হবে।

ডা. এম ইয়াছিন আলী

চেয়ারম্যান ও সিইও, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল।