প্রকাশিত সংবাদে ফিজিওথেরাপিস্ট সম্পর্কে অপমানজনক ভুল তথ্য

0
12

ইমন চৌধুরী :

গত (০৫/১২/২০১৫) দেশের অতি পরিচিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজ২৪.কম এ প্রকাশিত র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত এর ৩টি হাসপাতালে অভিযান এর প্রতিবেদনে ফিজিওথেরাপিস্ট দের সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপিত করা হয়, যা দেশের বিভিন্ন ফিজিওথেরাপিস্ট দের নজরে এসেছে।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, ডা. সনজিৎ চক্রবর্তী একজন থেরাপিস্ট হয়ে বিভিন্ন স্থানে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগিদের সাথে প্রতারণা করে আসছেন।

তবে অনেকেই হয়তো জানেন না হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রিটের কথা। সেখানে স্পষ্ট ভাবে ফিজিওথেরাপিস্টদের চিকিৎসক বলা হয়েছে এবং তাদেরকে ডাক্তার পরিচয়ে স্বাধীনভাবে প্র‍্যাক্টিস করার অনুমতি দেয়া আছে। তাছাড়া হাইকোর্টে করা রিটের মেয়াদ আগামী জানুয়ারি ২০১৬ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এরপর আবার শুনানি হবে।

লিখিত সংবাদে বুঝানো হয়েছে যে, ফিজিওরা চিকিৎসক নন। অথচ তারা থেরাপিস্ট এর অর্থইই জানেন না। ফিজিও মানে “শরীর” আর থেরাপিস্ট মানে “চিকিৎসা” অর্থাৎ ফিজিওথেরাপি মানে “শারীরিক চিকিৎসা” আর ফিজিওথেরাপিস্ট মানে “শারীরিক চিকিৎসক”।
অর্থাৎ, এখান থেকে সম্পূর্ণ বোঝা যায় যে ফিজিওথেরাপিস্টরা অবশ্যই চিকিৎসক হিসেবেই বিবেচিত হবেন।

কিন্তু বিভিন্ন মহলে ফিজিওথেরাপি পেশাকে অবমাননা করার পায়তারা চলছে। ফিজিও জাতিকে নিচে নামানোর চেস্টা করছে বিভিন্ন কুচক্রী মহল। অনেকে না জেনে ফিজিওথেরাপি সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে।

উল্লেখ্য যে, ডা. এস চক্রবর্তী তার প্রতিষ্ঠান এস পি হাসপাতালে দীর্যদিন ধরে অনিয়ম করে আসছেন। তার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স গত বছরে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে সত্যি।
কিন্তু তাই বলে এভাবে বিনা মামলায় কোন চিকিৎসক কে থানায় ধরে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ বলেই বিবেচিত হয়।

দেশের প্রশাসনের এ ধরণের কাজ এবং বিভিন্ন মিডিয়াতে অপপ্রচার চালানো ফিজথেরাপি পেশাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

আমরা আশা করি ভবিষ্যতে বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ ফিজিওথেরাপি সম্পর্কে ভালভাবে জেনে সংবাদ প্রচার করবেন এবং না জেনে কোন ভুল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকবেন।

ধন্যবাদ।

সাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী (ইমন)
ফিজিওথেরাপিস্ট
ভিশন ফিজিওথেরাপি এন্ড রিহ্যাব সেন্টার, ঢাকা।