ফর্সা বাচ্চা পেতে গেলে গর্ভাবস্হায় কি খাবেন

0
26

আপনি যখন গর্ভবতী,ক্ষুধা তখন যেন আয়ত্তের বাইরে।ক্ষিধে তখন যেকোনো সময় হানা দেয়।মহিলারা তখন নানারকম সাদা খাবার খায় এই ভেবে যে এতে ফর্সা হবে।যদিও অনেকেই আমাদের মধ্যে শিক্ষিত,তাও ভারতীয়দের মধ্যে ফর্সা বাচ্চার চাহিদা রয়েই গেছে।বিশেষঞ্জদের মতে যদিও সন্তানের বর্ণ আপনার খাওয়ার ওপর নির্ভর করে না, সেটি ঠিক হয় বাবা মায়ের গায়ের রঙের ওপর – তারই মিশ্রণে।কিন্ত ভারতীয়রা অনেক পৌরাণিক কথায় বিশ্বাস রাখে, এবং তাই মানে যে এরকম কিছু খাবার খেলে গর্ভের সন্তান ফর্সা হবে। আপনার যদি দৃঢ় বিশ্বাস থাকে এসব পুরাণ কথায় তাহলে এই সব খাবার আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ হওয়া উচিত।যদিও এসব খেয়ে বাচ্চা আপনার ফর্সা হবে এমন কোনো কিছু নিশ্চিত হওয়া যায় না।যত রকমের সাদা খাবার খাওয়া যায় গর্ভাবস্হায় ততই সম্ভাবনা বাচ্চা ফর্সা হয়ে জন্মানোর।এই সব খাবার বিধি মেনে চলার প্রবণতা শুধুমাত্র ভারতীয় নারীর মধ্যেই দেখা যায়। আপনিও যদি বিশ্বাস করেন, তাহলে খেয়ে দেখুন এই খাবারগুলো গর্ভাবস্হায় ফর্সা বাচ্চার জন্য।

কেশর দুধ :  প্রচুর মহিলা গর্ভাবস্হায় কেশর দুধ খান।তাদের বিশ্বাস যে কেশর সন্তানকে ফর্সা হতে সাহায্য করে।কেশর গর্ভে বেড়ে ওঠা বাচ্চার ত্বকের বর্ণ উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

নারকোল : আপনি যদি ফর্সা বাচ্চা চান, তাহলে নারকেলের সাদা শ্বা্সটা খাওয়ার অভ্যেস করুন।ভারতীয়দের বিশ্বাস সাদা শ্বাস বাচ্চা ফর্সা হতে সাহায্য করে।

দুধ : গর্ভাবস্হায় প্রতিটি মহিলার উচিত বেশি করে দুধ খাওয়ার।দুধের বিভিন্ন গুণের জন্য দরকার, বাড়ন্ত ভ্রুণের সুগঠনের জন্য।

ডিম : মনে করা হয় চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ মাসের মধ্যে ডিমের সাদা অংশটা খুব ভালো ফর্সা বাচ্চা হওয়ার জন্য।

আলমন্ড : কোনো স্ত্রী যদি ফর্সা সন্তান চান, তাহলে গর্ভাবস্হায় শুকনো বা ভেজানো আলমন্ড বাদাম খাওয়া উচিত।ভারতীয় বিশ্বাস,আলমন্ড মিশ্রিত দুধ গায়ের রং পরিষ্কার করতে সাহায্য করে,এবং তাই গর্ভাবস্হায় খাওয়া উচিত।

ঘি : গবেষণায় দেখা গেছে যেসব মহিলারা খাবারের মধ্যে ঘি-এর মাত্রা বেশি থাকে,তাদের প্রসব যণ্ত্রণা কম হয়।ওদিকে পুরোনো ভারতীয় চিন্তাধারা অনুযায়ী, ঘি ভ্রুণের বর্ণ উজ্জ্বল করতে সহায়ক। তাই তেলের জায়গায় ঘি খান।