ফিজিওথেরাপি কি ? কাদেরকে ফিজিওথেরাপি দেয়া হয়?

0
68

ফিজিও (শারিরীক) এবং থেরাপি (চিকিৎসা) শব্দ দুটি মিলে ফিজিওথেরাপি বা শারিরীক চিকিৎসার সৃস্টি। শুধুমাত্র ঔষধ সব রোগের পরিপুর্ণ সুস্থতা দিতে পারে না। বিশেষ করে বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা থেকে যে সব রোগের সৃষ্টি হয়, তার পরিপুর্ণ সুস্থতা লাভের উপায় ফিজিওথেরাপি। প্রাচীন গ্রীসে হিপোক্রেটাস ম্যাসেজ ও ম্যানুয়াল থেরাপি দ্বারা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার সূচনা করেছিলেন। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ১৯৭২ সালে বিদেশী ফিজিওথেরাপিষ্ট দ্বারা স্বাধীন বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার সূচনা হয়। একজন ফিজিওথেরাপিস্ট রোগীর স্বাস্থ্য সমস্যা (প্রধানত বাত-ব্যথা, আঘাত জনিত ব্যথা, প্যারালাইসিস ইত্যাদি) নির্ণয় করে চিকিৎসা দেন।

ফিজিওথেরাপি পদ্ধতি– -ম্যানুয়াল থেরাপি -ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি -মোবিলাইজেশন -মুভমেন্ট উইথ মোবিলাইজেশন -থেরাপিউটিক এঙ্ারসাইজ -ইনফিলট্রেশন বা জয়েণ্ট ইনজেকশন -পশ্চারাল এডুকেশন -আরগোনমিক্যাল কনসালটেন্সী -হাইড্রোথেরাপি -ইলেকট্রোথেরাপি বা অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে চিকিৎসা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ড্রাগ্স বা ঔষধ।

 কাদেরকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা দেওয়া হয়— যারা নিম্নোক্ত স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা দেওয়া হয়।

১।বাত-ব্যথা ২। কোমড় ব্যথা ৩। ঘাড় ব্যথা ৪। হাঁটু অথবা গোড়ালীর ব্যথা ৫। আঘাত জনিত ব্যথা ৬। হাড় ক্ষয় জনিত রোগ। ৭। জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া ৮। স্ট্রোক ৯।প্যারালাইসিস জনিত সমস্যায় ১০।মুখ বেঁকে যাওয়া বা ফেসিয়াল পালসি ১১। বিভিন্ন ধরনের অপারেশন পরবর্তী সমস্যায় ১২। আইসিইউ (ওঈট) তে অবস্থানকারী রোগীর জন্য ১৩। পা বাঁকা (ক্লাবফিট) ১৪। গাইনোকলজিক্যাল সমস্যায় ১৫। সেরিব্রাল পলসি (প্রতিবন্ধী শিশু) ১৬। বার্ধক্যজনিত সমস্যা।