ফিজিওথেরাপি পেশা একটি স্বাধীন স্বতন্ত্র চিকিৎসা পেশা, কোন ভাবেই এমবিবিএস পেশার সাথে সাংঘর্ষিক নয়।

0
68

ফিজিওথেরাপি প্রফেশন একটি স্বাধীন স্বতন্ত্র চিকিৎসা প্রফেশন। কোন ভাবেই এমবিবিএস প্রফেশনের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। দুপক্ষের কাজ সম্পূর্ন আলাদা।

কিন্তু দু:খের বিষয়, কাউন্সিলের অভাবে অনেক ফিজিওথেরাপিস্ট ফিজিওথেরাপি বাদ দিয়ে ওষুধ প্রাক্টিস করে এবং অনেক ফিজিশিয়ানও ( এমবিবিএস ডাঃ) তাদের প্রেসক্রিপশনে ফিজিওথেরাপি মেশিন পত্রের নাম লিখে দেয়। এর দ্বারা সাধারন জনগন সঠিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জনগনের মনে চিকিৎসার প্রতি বিরূপ ধারনা হচ্ছে। অনেকে দেশের বাহিরে চলে যাচ্ছে!

এমতাবস্থায় একটি কাউন্সিল করা জরুরি হয়ে পড়ছে। যেটার মাধ্যমে সঠিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে সেটা নিয়ে উদ্যোগও নিয়েছে।

কিন্তু ফিজিক্যাল মেডিসিন এসোসিয়েশন এটা নিয়ে চিকিৎসক সমাজ এবং সাধারন মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে! ফিজিওথেরাপিস্টদের জন্য তারা এলাইড হেলথ কাউন্সিল চায়, কি হাস্যকর ব্যাপার।

এছাড়া ফিজিওথেরাপিস্টরা নাকি ওষুধ প্রেসক্রিপশন করবে, এইসব বলে অন্যান্য চিকিৎসকদের ভিতর অপ্রচার চালাচ্ছে! যেটা সম্পূর্নভাবে বানানো প্রতিহিংসমূলক অপ্রচার। ফিজিওথেরাপিস্টরা ফিজিওথেরাপি প্রাক্টিসের আইন চায়। ওষুধ চায় না!

ফিজিক্যাল মেডিসিন এই কাউন্সিল বন্ধ করে একটা প্রফেশনকে ধ্বংস করে, নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে চায়! কোটি মানুষের ক্ষতি করে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখার চিন্তা অত্যান্ত হীন কাজ! এইদেশের সাধারন মানুষের প্রতি অনুরোধ, বাংলাদেশ থেরাপি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের জন্য আপনারা সোচ্ছার হউন। এই কাউন্সিল বাস্তবায়ন হলে, সুচিকিৎসার পথে এই দেশ অনেকদূর এগিয়ে যাবে।

ধন্যবাদ
ডাঃ সাইফুল ইসলাম, পিটি
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন ( বিপিএ)।