বাংলাদেশে প্রসূতিদের ৬৩ শতাংশ কোমর ব্যথায় ভোগেন-সিআরপিতে সেমিনারের তথ্য



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

বাংলাদেশে প্রসূতি নারীদের ৬৩ শতাংশই কোমরের ব্যথায় ভুগে থাকে। একইভাবে প্রসূতিদের মধ্যে ৪৫.৬ শতাংশ গর্ভথলির ব্যথা, ৪৪.৪ শতাংশ ঘাড় ব্যথা, ৫৫.৬ শতাংশ পা ফোলা এবং ৩৭.৮ শতাংশ পায়ের মাংসে খিচুনির সমস্যায় ভুগে থাকে। ফলে এসব নারীর স্বাভাবিক জীবনযাপন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এমনকি দীর্ঘ মেয়াদে এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। গতকাল রবিবার সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড (সিআরপি) এর উদ্যোগে প্রসূতি নারীদের ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক এক সেমিনারে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ হেলথ প্রোফেশনস ইনস্টিটিউট-বিএইচপিআই গত বছর এক সমীক্ষার মাধ্যমে এসব তথ্য পেয়েছে বলে সেমিনারে জানানো হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরে সিআরপি সেমিনার হলে তিন দিনব্যাপী গাইনোকোলজিক্যাল ফিজিওথেরাপির ওপর এ সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা নারীদের স্বাস্থ্যসেবা ও ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরে এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ডা. ভেলেরি এ টেইলর, সিআরপি ট্রাস্টের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) ডা. মো. নুরুল হক, একই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফিজিওথেরাপিস্ট ও নারী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. এনা ভেস্তারগার্ড, সিআরপির কর্মসূচি প্রধান অধ্যাপক মো. সোহরাব হোসেন, প্রতিষ্ঠানের গাইনোকোলজিক্যাল ফিজিওথেরাপি ইউনিট ইনচার্জ মো. ফারুকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শ অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিল। সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে গাইনোকোলজিক্যাল ফিজিওথেরাপি নতুন চালু হলেও বিশ্বব্যাপী এ বিষয়টি নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যাপক অবদান রাখছে। বিশেষ করে প্রসবকালীন ও প্রসবপরবর্তী সময়ে নারীরা যেসব শারীরিক সমস্যায় ভুগতে থাকেন সহজেই ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে সমাধান করা যায়। নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতকরণে প্রসবকালীন ফিজিওথেরাপির সেবা গ্রহণের পরামর্শ দেন বক্তারা।

No Comments to “বাংলাদেশে প্রসূতিদের ৬৩ শতাংশ কোমর ব্যথায় ভোগেন-সিআরপিতে সেমিনারের তথ্য”

Comments are closed.