বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টরা ডেভেলপমেন্টাল ট্রাপের মধ্যেই আছে



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

দারিদ্রের দুষ্টু চক্র(developmental trap) = কম বিনিয়োগ = কম উৎপাদণ = কম মুনফা = কম চঞ্চয় = কম বিনিয়োগ …………এভাবে চলতে থাকা ৷ এ অবস্থায় বাইরের কোন হস্তক্ষেপ না থাকলে দীর্ঘদিন এই চক্র চলতেই থাকে ৷

বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টরাও এক রকম ডেভেলপমেন্টাল ট্রাপের মধ্যেই আছে ৷ বিষয়টা কিভাবে? শুনুন তাহলে …
বর্তমানে প্রকাশ হওয়ার অপেক্ষায় থাকা ফিজিওথেরাপি রেজাল্টের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১৫ অক্টোবর, ২০১৫ এর দিকে ৷ লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছিল ৩০ নভেম্বর এর দিকে ৷ ডিসেম্বরের মধ্যেই সকল ইন্সিটিউট/কলেজ এ প্রাকটিক্যাল, মৌখিক, রিসার্চ, প্রেজেন্টেশন সবই শেষ হয় ৷ আজ ২৬ মার্চ, ১৫ অক্টোবর ২০১৫ থেকে একটা পরীক্ষা প্রক্রিয়াধীন প্রায় ৬ মাস ৷ অথচ এখনো রেজাল্ট হলো না ৷
শুনলাম এপ্রিলেই নাকি আবার পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে ৷ আর সাধারনত তাই ই হয় ৷ রেজাল্টের পরের সপ্তাহেই ফর্ম ফিলাপের শেষ তারিখ থাকে ৷ ফর্ম ফিলাপ শেষ হওয়ার ১০ দিনের মধ্যেই পরীক্ষা শুরু ৷ আর পরীক্ষা আরো দেরি করে শুরু হোক তাও কারো কাঙ্খিত না ৷ কারন সময় তো পার হয়ে যাচ্ছেই ৷ নিয়মিত সকল সাবজেক্টে পাশ করেও ইন্টার্নি সহ ফিজিওথেরাপি কোর্স শেষ করতে কমপক্ষে সময় লাগে ৬ থেকে ৭ বছর! যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৫ বছরে ৷

এখন কথা হলো যে শিক্ষার্থী অনাকাংখিতভাবে এক বা একাধিক সাবজেক্টে ফেল করলো…..সে ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিবে? অন্যদিক থেকে তার রেগুলার ব্যাচের সাথে ক্লাস, প্লেসমেন্ট, কার্ড এবং সেশনাল এক্সাম তো আছেই! এবার সামলাও ঠেলা! ফলাফল আবার ফেল!
তাহলে বলা যায়, ফিজিওথেরাপি শিক্ষার্থীদের ডেভেলপমেন্টাল ট্রাপ = পরীক্ষা প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা = দেরিতে রেজাল্ট = প্রস্তুতির জন্য কম সময় পাওয়া = পরীক্ষা খারাপ দেওয়া = ফেল! …এভাবে চলতে থাকা!

এ অবস্থা উত্তরনের জন্য কোন হস্তক্ষেপ বা উদ্যোগ কি কোন দিন আসবে?

-শেখ মুমিনুল্লাহ

[ ফেসবুক কর্নার বিভাগের সকল লেখা লেখকের ফেসবুক থেকে সংগ্রহীত এবং যা সম্পূর্ণভাবেই লেখকের নিজেস্য মন্তব্য । ]

No Comments to “বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টরা ডেভেলপমেন্টাল ট্রাপের মধ্যেই আছে”

Comments are closed.