বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি দ্রুত বাস্তবায়নে, মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

নিজস্ব প্রতিবেদক, জিএম শামীম
বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার উন্নয়নের জন্য, ‘বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি দ্রুত বাস্তবায়ন, পেশাজীবিদের রেজিস্ট্রেশান দেয়ার লক্ষে গৃহিত কাউন্সিল বাস্তবায়ন এবং, ফিজিওথেরাপিস্টদের নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাবনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য’ মাহামান্য রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।
তথ্যমতে জানা যায়, বাংলাদেশ ফিজিক্যাল থেরাপি এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি দ্রুত বাস্তবায়ন, ফিজিওথেরাপিস্টদের নতুন পদ সৃষ্টি এবং পেশাজীবিদের রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আবেন করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে। এর গুরুত্ব উপলব্ধি করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এ নির্দেশ দেন।
তথ্যমতে সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি প্রতিষ্ঠার সব প্রস্তুতি শেষ হলেও অজানা কারণে বন্ধ রয়েছে এর নির্মাণ কাজ।
বর্তমানে নির্ধারিত জমিতে বস্তিঘর তুলে ভাড়া দিয়েছেন শ্রমিক লীগের নেতা নামধারী কয়েকজন ব্যক্তি ও কয়েকজন সরকারি কর্মচারী। আর নিজস্ব কলেজ ভবনের অভাবে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছেন নগরের বিভিন্ন চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র ও ফিজিক্যাল থেরাপি এসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. মো.
ফরিদ উদ্দিন জানান, দেশে স্নাতক কোর্সের জন্য স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কলেজ নেই। জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) তিনটি শ্রেণিকক্ষে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর ফিজিওথেরাপি শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। ২০০৮ মহাজোট সরকার শিক্ষার্থীদের সমস্যা দূরকরনের জন্য মহাখালীর আইপিএইচ (জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট) স্কুল অ্যান্ড কলেজের সীমানাপ্রাচীরের উত্তর পাশে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিওথেরাপির জন্য সোয়া পাঁচ একর জমি বরাদ্দ করা হয়। ২০১০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ওই জায়গায় কলেজ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেছিলেন তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক। সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের পর ভবন নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় সন্ত্রাসীদের বাধায় নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে নিজস্ব কলেজ ভবন না থাকায় এবং পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে ফিজিওথেরাপি শিক্ষায় সংকট চলছে। বাংলাদেশ ফিজিক্যাল থেরাপির মহাসচিব ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ বাতব্যথা, পক্ষাঘাতগ্রস্ত(প্যারালাইসিস), পঙ্গুত্ব ও বিকলাঙ্গ। এমন রোগীর প্রধান চিকিৎসা ফিজিওথেরাপি, কিন্তু ফিজিওথেরাপি পেশাকে একটি মহল অবজ্ঞা করছে। ফিজিওথেরাপি পেশাজীবী ও রোগীদের স্বার্থে ফিজিওথেরাপি কলেজ প্রতিষ্ঠা, নতুন পদ সৃষ্টি এবং কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার লক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে যে নির্দেশ দিয়েছেন, এর জন্য পুরো ফিজিওথেরাপি জাতি কৃতঙ্গ থাকবে বলে জানান এসোসিয়েশনের মহাসচিব। আমরা আশা করি, বঙ্গবন্ধু যে সপন্ন বাস্তবায়নের জন্য ফিজিওথেরাপি পেশা বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিলেন, তা জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে।




Tags:

No Comments to “বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি দ্রুত বাস্তবায়নে, মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ”

Comments are closed.