‘বায়োনিক ইয়ার’ পেলেন ৪১ শ্রবণ প্রতিবন্ধী



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

ঈদের প্রাক্কালে সম্পূর্ন শ্রবণ প্রতিবন্ধী ৪১ শিশুর চেহারায় হাসি ফুটালো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ। গত (বৃহস্পতিবার) তাদের প্রত্যেককে  ১০ লাখ টাকা মূল্যের একটি করে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ডিভাইস প্রদান করেছে বিএসএমএমইউ।

শহীদ ডা. মিলন হলে ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রাম ইন বিএসএমএমইউ (২য় পর্যায়)-এর উদ্যোগে সম্পূর্ণ শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে অভিভাবককদের কাছে বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করেন ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান ।

তিনি জানান, বিএসএমএমইউ’র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সম্পূর্ণ বিনাখরচে জটিল সার্জারির মাধ্যমে এসব ডিভাইস ইমপ্ল্যান্ট করা ও পরবর্তী ভাষা শেখাবেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এ ডিভাইসগুলো বিএসএমএমইউ’কে নাম মাত্র মূল্যে প্রদান করেছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, প্রো-ভিসি  (প্রশাসন)  অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ এস এম জাকারিয়া স্বপন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আলী আসগর মোড়ল।

Bayonic

অনুষ্ঠানে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট বরাদ্দপত্র প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন বিএসএমএমইউ’র রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন  সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক কাজী শহীদুল আলম, নাক, কান, গলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান তরফদার।

প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রাম ইন বিএসএমএমইউ-এর প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাত জোয়ারদার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. জহুরুল হক সাচ্চু। এছাড়া কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রহীতা, শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের অভিভাবক ও বরাদ্দপত্র প্রাপ্তদের অভিভাবকরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান  কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রকল্পে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তার সুদৃষ্টির ফলেই এ ধরণের মহতী সেবা কার্যক্রম পক্ষে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। প্রকল্পটি চালু রাখার জন্য  ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রাম ইন বিএসএমএমইউ-এর আওতায় এ পর্যন্ত ৯০ জনকে বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) আরো ৪১ জন শ্রবণ প্রতিবন্ধীকে বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়। বিএসএমএমইউ এ পর্যন্ত ১১০ জন শ্রবণ প্রতিবন্ধীর কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট করা হয়। এরমধ্যে ৯০ জনকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং ২০  জনকে নিজ খরচে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট করা হয়।

No Comments to “‘বায়োনিক ইয়ার’ পেলেন ৪১ শ্রবণ প্রতিবন্ধী”

Comments are closed.