সাইক ইন্সটিটিউটে একাডেমিক ও ক্লিনিক্যাল উন্নতি-করনের লক্ষে উন্মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

সময়টা এখন এতই চ্যালেঞ্জিং যে, সময়-মতো সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হলে তার প্রভাব বইতে হয় সারা জীবন। এখন দেশে এমন অনেক বিষয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ আছে। এমনই একটি সম্ভাবনাময় ও সাশ্রয়ী ক্ষেত্র ব্যাচেলর অফ ফিজিওথেরাপি। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য শাখা ‘ফিজিওথেরাপি’। এটি কোন নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি নয়। প্রাচীন গ্রিসে ম্যাসেজ ও ম্যানুয়াল থেরাপির মাধ্যমে সূচনা হয় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার।
আমাদের দেশে এই বিষয়ে রয়েছে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (ফিজিওথেরাপি) ও ইন্টার্নশিপসহ ৫ বৎসর মেয়াদি ব্যাচেলর অব ফিজিওথেরাপি (বিপিটি) কোর্স ।

বাংলাদেশে এই দুটি বিষয়ে যে সকল ইনিস্টিটিউটে পড়ালেখা সুযোগ রয়েছে তার মধ্যে সাইক ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি অন্যতম । আজ ১৪ আগস্ট ২০১৭ সাইক ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির ফিজিওথেরাপি বিভাগের আয়োজনে একাডেমিক ও ক্লিনিক্যাল উন্নতি-করনের লক্ষে কটি মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা হয় সাইক ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির নবনির্মিত ভবনে । যেখানে সাইক ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবু হাসনাত মোঃ ইয়াহিয়া ও প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি সোহেলী ইয়াছমিন সহ সকল ইনিস্টিটিউটের কোর্স -কো-অরডিনেটর, সকল অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ও ফিজিও-নিউজের প্রধান নির্বাহী উপস্থিত ছিলেন।

সাইক ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবু হাসনাত মোঃ ইয়াহিয়া বলেন স্বাস্থ্য প্রযুক্তির যুগোপযোগী বিস্তার ও ব্যবহারের লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি গড়ার মানসিকতা নিয়ে সাইক এডুকেশন সোসাইটির অধীনে পরিচালিত সাইক মেডিকেল ইন্সটিটিউট ২০০৫ সালে মাত্র ২টি টেকনোলজি নিয়ে যাত্রা শুরু করে। যাত্রা শুরুর প্রথম বছরেই SIMT অনুমোদিত আসন সংখ্যার সবকটিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে ২০০৬-২০০৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে, টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে সাইক ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির ফিজিওথেরাপি বিভাগে ৮ জন ফুল টাইম শিক্ষক-গনের সমন্বয়ে পরিপূর্ণ ফিজিওথেরাপি বিভাগ পরিচালিত হচ্ছে । মুক্ত আলোচনায় ডা: নাসিরুল ইসলাম ক্লিনিক্যাল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন এবং সাইক ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির উন্নতিতে তার মতামত প্রদান করেন । ডা:ফরিদ উদ্দিন ইন্সটিটিউটের টেকনোলজি নাম পরিবর্তন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি প্রক্রিয়ার ব্যাপারে মতামত প্রদান করেন । ডা: প্রদীপ বলেন কলেজের বহির্বিভাগ ও নিজস্ব ল্যাবে হাতে কলমে কাজ শেখানোর বিষয়ে ও শিক্ষালব্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে সেবা প্রদান করে উন্নত স্বাস্থ্য সেবার বিষয়টি নিশ্চিত করার ব্যাপারে। এছাড়া ফিজিওথেরাপি শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি, ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির পদ্ধতি সংশোধন ও পেশার বিস্বার এবং উন্নতিতে সকলের ভূমিকা ও দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয় ।

Tags:

No Comments to “সাইক ইন্সটিটিউটে একাডেমিক ও ক্লিনিক্যাল উন্নতি-করনের লক্ষে উন্মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত”

Comments are closed.