স্ট্রোকজনিত প্যারালাইসিস ও আধুনিক চিকিৎসা



  • Add Comments
  • Print
  • Add to Favorites

বিশ্বজুড়েই স্ট্রোকজনিত মৃত্যু ও স্ট্রোকের কারণে স্নায়ুজনিত অক্ষমতা বাড়ছে। মস্তিষ্কে সাধারণত দুই ধরনের স্ট্রোক হয়ে থাকেÑ

ইস্কেমিক স্ট্রোক : এখানে মস্তিষ্কের মধ্যকার ধমনিগুলায় রক্ত চলাচল কম হয়।

হেমরেজিক স্ট্রোক : এখানে মস্তিষ্কের মধ্যকার ধমনিগুলো ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হয়।

বিভিন্ন কারণে স্ট্রোক হয়ে থাকে। যেমনÑ অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হাইপার লিপিডেমিয়া বা আথেরস্কেলরসিস, ওবেসিটি, ধূমপান, মানসিক দুশ্চিন্তা, নিদ্রাহীনতা ইত্যাদি।

উপসর্গ : রোগীর একপাশের হাত বা পা আংশিক কিংবা পুরো অবশ হয়ে যায়। সঠিকভাবে কথা বলতে পারেন না বা মুখ বাঁকা হয়ে যায়। খাবার খেতে কষ্ট হয়। প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণ থাকে না। অনেক সময় মাথাব্যথা করে, বমি ভাব হয়। ঘুম হয় না। অনেক রোগী আগের ইতিহাস ভুলে যান বা পরিচিতদের চিনতে পারেন না।

চিকিৎসা : চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় খুবই জরুরি। কারণ ইস্কেমিক স্ট্রোক বা হেমরেজিক স্ট্রোক উভয় চিকিৎসা ভিন্ন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। স্ট্রোক-পরবর্তী প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীকে আগের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ওষুধের পাশাপাশি আধুনিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ চিকিৎসার মাধ্যমে স্ট্রোক-পরবর্তী প্যারালাইসিস রোগীকে সম্পূর্ণ পুনর্বাসন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে দিনে নিয়মিত ৩-৪ বার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হবে কমপক্ষে ২ থেকে ৬ মাস।

লেখক : ডা. এম. ইয়াছিন আলী

চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট

ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল

ধানম-ি, ঢাকা। ০১৭১৭০৮৪২০২

No Comments to “স্ট্রোকজনিত প্যারালাইসিস ও আধুনিক চিকিৎসা”

Comments are closed.