হাঁটুর মাংসপেশির শক্তি কমে গেলে

0
20
ডা: এম ইয়াছিন আলী
হাঁটা চলার সময়, সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা, নিচে বসা, নামাজের মতো বসা, টয়লেটে বসা ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাঁটুর ভূমিকা বেশি। হাঁটুর গঠনে অস্থির পাশাপাশি কিছু রশির মতো জিনিস থাকে যেগুলোকে মেডিকেল পরিভাষায় লিগামেন্ট বলা হয়। মূলত এই লিগামেন্টগুলিই হাঁটুর জয়েন্টের স্ট্যাবিলিটি বা অবস্থান ধরে রাখে, যখনই কোনো কারণে এই লিগামেন্ট বা মাংসপেশিতে আঘাত প্রাপ্ত হয় কিংবা মাংসপেশির শক্তি কমে যায় তখন আক্রান্ত ব্যক্তি উপরোল্লিখিত কাজকর্মে অসুবিধা হয়।
বিশেষ করে হাঁটু ভাঁজ করে নিচে বসা, কিংবা হাঁটু ভাঁজ হয় এমন কাজ করতে অসুবিধা হয় যার ফলে রোগী হাঁটুতে ব্যথা অনুভব করেন। এই প্রযুক্তির যুগে মানুষ এত অলস জীবনযাপন করেন যে কোনো ফিজিক্যাল একটিভিটি বা শারীরিক কার্যক্রম নেই বললেই চলে যেমন বাসা থেকে বের হয়ে গাড়িতে উঠল এবং অফিসে গিয়ে নামল। তারপর ডেক্সে বসে অফিস শেষ করে একইভাবে বাসার এলে দেখা গেল ওই ব্যক্তির শারীরিক তেমন কোনো পরিশ্রম নেই যার ফলে তার শরীরের মাংসপেশিগুলো প্রয়োজনে তুলনায় শক্তি কমে যাওয়ার ফলে হাঁটুর শক্তি কমে যায় তখন উপরোক্ত সমস্যাগুলো দেখা যায়।
করণীয়
এই ধরনের সমস্যা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম, তাই প্রতিরোধের জন্য প্রত্যেকেরই কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করা উচিত অন্তত সপ্তাহে ৫ দিন ৩০ থেকে ৪৫ দিন হাঁটা উচিত। যারা ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের জন্য কিছু সহজ ব্যায়াম করলেই সুস্থ হয়ে যাবেন কিন্তু ব্যায়ামটি অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শে করতে হবে।
লেখক : ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমণ্ডি, ঢাকা